কুকুর কামড়ের পর সাথে সাথে সাবান পানি দিয়ে ১৫ মিনিট ধুলে জলাতঙ্ক হওয়ার ঝুঁকি ৭০% পর্যন্ত কমে যায়। তবে ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক। জানুন কুকুর কামড়ের পর করণীয় ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধের উপায়।
জলাতঙ্ক কেন ভয়াবহ?
জলাতঙ্ক (Rabies) একটি প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ। এটি একবার লক্ষণ প্রকাশ করলে শতভাগ মৃত্যুর কারণ হয়। প্রতি বছর বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে হাজারো মানুষ কুকুর বা অন্য প্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত হয়ে জলাতঙ্কে প্রাণ হারায়। অথচ, সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিলে এই মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায়।
চলুন জানি কিছু বিষয়ঃ
১.সাবান পানি দিয়ে ধোয়া
২. অ্যান্টিসেপটিক ব্যবহার
৩.ক্ষত সেলাই এড়িয়ে চলা
৩.চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া
কেন শুধু ধোয়া যথেষ্ট নয়?
ক্ষত ধোয়ার মাধ্যমে ভাইরাসের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়, তবে পুরোপুরি নয়। তাই, ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক, না হলে যেকোনো সময় জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ভ্যাকসিন কিভাবে দেওয়া হয়?
সতর্কতা
কুকুর কামড়ের পর সাথে সাথে সাবান পানি দিয়ে ১৫ মিনিট ধুয়ে ফেলুন, অ্যান্টিসেপটিক লাগান এবং দ্রুত ভ্যাকসিন নিন। এতে জলাতঙ্ক থেকে জীবন রক্ষা সম্ভব।