আপডেট
কবি কায়কোবাদের স্মৃতিবিজড়িত পিংনা রসপাল জামে মসজিদ: ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বিস্মৃতির করুণ অধ্যায় একজন আপোসহীন দেশনেত্রীর বিদায়: বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম ও উত্তরাধিকার স্বাস্থ্যখাত সংস্কার খসড়া ও ডিএমএফদের বাদ দেওয়ার বিতর্ক: জুলাই সনদের চেতনার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? কিভাবে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল অধ্যাদেশ ২০২৫ (খসড়া) বাতিল বা সংশোধনের জন্য ইমেইল করবেন: সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে গাইড বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল অধ্যাদেশ ২০২৫: ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের তীব্র আপত্তি, বৈষম্য ও নীতিগত সংকটের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ ডায়াবেটিসে সুচবিহীন রক্ত পরীক্ষা: এমআইটির বিপ্লবী আলোভিত্তিক প্রযুক্তি বদলে দিচ্ছে গ্লুকোজ মনিটরিংয়ের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ ফুটবলের উত্থানের সময়ে তরুণদের অবিবেচক আচরণ: হামজা–শমিতদের উত্তরসূরীদের ভুল পদক্ষেপে নতুন বিতর্ক ডিএমএফ পরিচয়কে ধারণ করে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান: ডিএমএফ নিয়োগ বাস্তবায়ন পরিষদের পক্ষ থেকে বড় ঘোষণা ডিএমএফ নিয়োগ আন্দোলনের জরুরি নোটিশ: ৯ ডিসেম্বরের কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত — ন্যায্য দাবির লড়াই অব্যাহত ডিএমএফদের নিয়োগ সংকট: কেন এখনই নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন জরুরি — ১৫ বছরের বাস্তবতা, আন্দোলন ও সমাধান বিশ্লেষণ

কুকুর কামড়ের স্থান সাবান পানি দিয়ে ১৫ মিনিট ধুলে জলাতঙ্কের ঝুঁকি ৭০% কমে যায়

কুকুর কামড়ের পর সাবান পানি দিয়ে ক্ষতস্থান ধোয়ার দৃশ্য

কুকুর কামড়ের পর সাথে সাথে সাবান পানি দিয়ে ১৫ মিনিট ধুলে জলাতঙ্ক হওয়ার ঝুঁকি ৭০% পর্যন্ত কমে যায়। তবে ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক। জানুন কুকুর কামড়ের পর করণীয় ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধের উপায়।

জলাতঙ্ক কেন ভয়াবহ?

 

জলাতঙ্ক (Rabies) একটি প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ। এটি একবার লক্ষণ প্রকাশ করলে শতভাগ মৃত্যুর কারণ হয়। প্রতি বছর বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে হাজারো মানুষ কুকুর বা অন্য প্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত হয়ে জলাতঙ্কে প্রাণ হারায়। অথচ, সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিলে এই মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায়।

 

চিত্রঃ কুকুরের কামড় দেওয়ার দৃশ্য

 

চলুন জানি কিছু বিষয়ঃ

  • কুকুর কামড়
  • জলাতঙ্ক প্রতিরোধ
  • কুকুর কামড়ের পর করণীয়
  • সাবান পানি দিয়ে ধোয়া
  • অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন
  • রেবিস প্রতিরোধ

 

কামড়ের সাথে সাথেই যা করবেন

 

১.সাবান পানি দিয়ে ধোয়া

 

  • কামড়ের স্থান অন্তত ১৫ মিনিট ধরে প্রবাহিত পানি ও সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুতে হবে।
  • এভাবে ধুলে ক্ষতে থাকা ভাইরাসের সংখ্যা অনেকাংশে ধুয়ে যায় এবং জলাতঙ্ক হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৭০% কমে যায়।

 

 

 

২. অ্যান্টিসেপটিক ব্যবহার

 

  • ধোয়ার পর ক্ষতে আয়োডিন বা স্পিরিট লাগাতে হবে।

 

 

 

৩.ক্ষত সেলাই এড়িয়ে চলা

 

  • একেবারে গুরুতর প্রয়োজন না হলে ক্ষত সেলাই করা উচিত নয়।

 

 

 

৩.চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া

 

  • সাথে সাথে নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন (ARV) নিতে হবে।
  • গুরুতর কামড়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন (RIG) প্রয়োগ করতে হবে।

 

 

ছবিঃ সংগৃহীত

 

কেন শুধু ধোয়া যথেষ্ট নয়?

 

ক্ষত ধোয়ার মাধ্যমে ভাইরাসের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়, তবে পুরোপুরি নয়। তাই, ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক, না হলে যেকোনো সময় জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

 

ভ্যাকসিন কিভাবে দেওয়া হয়?

 

  • সাধারণত Day 0 (কামড়ের দিন), ৩য়, ৭ম, ১৪তম এবং ২৮তম দিনে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
  • চিকিৎসক রোগীর বয়স ও ক্ষতের ধরণ অনুযায়ী ভ্যাকসিন এবং ইমিউনোগ্লোবুলিন ঠিক করেন।

 

 

সতর্কতা

 

  • ছোট কামড় বা আঁচড় হলেও অবহেলা করবেন না।
  • অচেনা বা অসুস্থ কুকুর কামড়ালে আরও সতর্ক হতে হবে।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ যত্ন নিতে হবে, কারণ তারা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।

 

কুকুর কামড়ের পর সাথে সাথে সাবান পানি দিয়ে ১৫ মিনিট ধুয়ে ফেলুন, অ্যান্টিসেপটিক লাগান এবং দ্রুত ভ্যাকসিন নিন। এতে জলাতঙ্ক থেকে জীবন রক্ষা সম্ভব।


সম্পাদক
নিজস্ব প্রতিবেদক  
প্রকাশিত বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫


আরো পড়ুন

প্রেগন্যান্সি ক্যালকুলেটর