চোখে আঘাত বিভিন্ন কারণে হতে পারে। বিশ্বব্যাপী চোখের আঘাতের প্রায় ১০% ঘটে কেমিক্যালের কারণে। এ ধরনের দুর্ঘটনা সাধারণত কর্মক্ষেত্রে বেশি হলেও বাসাবাড়িতেও ঘটতে পারে।

ছবিঃ সংগৃহীত
১. অ্যালকালি (ক্ষারজাতীয় পদার্থ)
সবচেয়ে মারাত্মক ক্ষতি করে।
কর্নিয়া, কনজাংটিভা, স্ক্লেরা ছাড়াও চোখের ভেতরের অঙ্গ নষ্ট করতে পারে।
অন্ধত্বের ঝুঁকি বেশি।
যেমন: কীটনাশক, ড্রেন ক্লিনার, সার, সিমেন্ট, হাঁড়ি-পাতিল ক্লিনার।

ছবিঃ সংগৃহীত
২. এসিড (অম্লজাতীয় পদার্থ)
তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকর।
সাধারণত চোখের ভেতরের অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।
যেমন: ভিনেগার, নেইলপলিশ রিমুভার, ব্যাটারির পানি, বিভিন্ন এসিড।

ছবিঃ সংগৃহীত
৩. ইরিটেন্ট (অস্বস্তি সৃষ্টিকারী পদার্থ)
মারাত্মক ক্ষতি না করলেও চোখে জ্বালা-পোড়া ও অস্বস্তি করে।
যেমন: ডিটারজেন্ট, পিপার স্প্রে।

ছবিঃ সংগৃহীত
কেমিক্যাল পড়লে চোখের সম্ভাব্য উপসর্গ
অনেক সময় সামান্য মনে হলেও ভেতরে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
কেমিক্যাল নিয়ে কাজ করার সময় গগলস/চশমা ব্যবহার করুন।
সব ধরনের কেমিক্যাল শিশুর নাগালের বাইরে রাখুন।
সচেতন থাকুন—কারণ এ ধরনের আঘাতের ৯০% প্রতিরোধযোগ্য।