বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য বিনামূল্যে টাইফয়েড ভ্যাকসিন প্রদান শুরু করেছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো শিশুদের মধ্যে টাইফয়েডের প্রাদুর্ভাব কমানো এবং তাদের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।
স্বাস্থ্য সচেতনতা:
টাইফয়েড একটি সংক্রামক ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যা অসফল হাত ধোয়া, অস্বাস্থ্যকর খাবার বা দূষিত পানির মাধ্যমে ছড়ায়। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই রোগ দ্রুত ছড়াতে পারে এবং সময়মতো চিকিৎসা না নিলে তা মারাত্মক হতে পারে। তাই অভিভাবকদের সচেতন হওয়া জরুরি। শিশুদের নিয়মিত হাত ধোয়া, পরিষ্কার পানি ব্যবহারের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মানা অবশ্যক।
ভ্যাকসিন সুবিধা:
ভ্যাকসিন গ্রহণ করলে শিশুর শরীরে টাইফয়েড প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিন সরকার প্রদান করছে, যাতে সকল শিশুই নিরাপদে ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভ্যাকসিন গ্রহণ শিশুদের সুস্থতা নিশ্চিত করে এবং ভবিষ্যতে হাসপাতাল ও চিকিৎসা ব্যয় কমায়।
নিবন্ধন প্রক্রিয়া:
ভ্যাকসিন নিতে হলে অভিভাবকরা সহজেই vaxepi.gov.bd পোর্টালে নিবন্ধন করতে পারবেন। নিবন্ধনের ধাপগুলো হলো:
1. ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন – vaxepi.gov.bd।
2. “নতুন নিবন্ধন” সেকশন নির্বাচন করুন।
3. শিশুর নাম, জন্ম তারিখ, পিতামাতার তথ্য ও যোগাযোগের বিস্তারিত দিন।
4. সফলভাবে নিবন্ধন হলে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভ্যাকসিন প্রদানের তারিখ পাওয়া যাবে।
টাইফয়েড প্রতিরোধে এই বিনামূল্যের ভ্যাকসিন উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। অভিভাবকরা যেন দ্রুত নিবন্ধন করান এবং শিশুদের নিরাপদ ও সুস্থ রাখার ব্যবস্থা নেন, তা সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।