আপডেট
কবি কায়কোবাদের স্মৃতিবিজড়িত পিংনা রসপাল জামে মসজিদ: ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বিস্মৃতির করুণ অধ্যায় একজন আপোসহীন দেশনেত্রীর বিদায়: বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম ও উত্তরাধিকার স্বাস্থ্যখাত সংস্কার খসড়া ও ডিএমএফদের বাদ দেওয়ার বিতর্ক: জুলাই সনদের চেতনার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? কিভাবে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল অধ্যাদেশ ২০২৫ (খসড়া) বাতিল বা সংশোধনের জন্য ইমেইল করবেন: সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে গাইড বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল অধ্যাদেশ ২০২৫: ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের তীব্র আপত্তি, বৈষম্য ও নীতিগত সংকটের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ ডায়াবেটিসে সুচবিহীন রক্ত পরীক্ষা: এমআইটির বিপ্লবী আলোভিত্তিক প্রযুক্তি বদলে দিচ্ছে গ্লুকোজ মনিটরিংয়ের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ ফুটবলের উত্থানের সময়ে তরুণদের অবিবেচক আচরণ: হামজা–শমিতদের উত্তরসূরীদের ভুল পদক্ষেপে নতুন বিতর্ক ডিএমএফ পরিচয়কে ধারণ করে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান: ডিএমএফ নিয়োগ বাস্তবায়ন পরিষদের পক্ষ থেকে বড় ঘোষণা ডিএমএফ নিয়োগ আন্দোলনের জরুরি নোটিশ: ৯ ডিসেম্বরের কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত — ন্যায্য দাবির লড়াই অব্যাহত ডিএমএফদের নিয়োগ সংকট: কেন এখনই নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন জরুরি — ১৫ বছরের বাস্তবতা, আন্দোলন ও সমাধান বিশ্লেষণ

মাসে দুবার পিরিয়ড হওয়া কি স্বাভাবিক? কারণ, ঝুঁকি ও সমাধান জানুন

প্রত্যেক নারীর শরীরের জন্য মাসিক একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে অনেক সময় এক মাসে দুবার পিরিয়ড হতে দেখা যায়। এতে অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েন—এটা কি স্বাভাবিক, নাকি কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণ?

 

ছবিঃ পিক্সেল ডটকম থেকে সংগৃহীত

 

স্বাভাবিক মাসিকচক্র

 

সাধারণত মাসিকচক্র গড়ে ২৮ দিন হয়।

তবে ২১ থেকে ৩৫ দিনের ভেতরে হলে সেটিও স্বাভাবিক ধরা হয়।

 

হঠাৎ ওজন বাড়া বা কমা, মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ব্যায়াম, কিংবা কিছু ওষুধের কারণে মাসিকচক্র ছোট হতে পারে। তাই সবসময় এটা সমস্যা নাও হতে পারে।

 

 

মাসে দুবার পিরিয়ড হলে কখন চিন্তা করবেন?

 

 

  • যদি ২১ দিন পর হয় → এটি এখনও স্বাভাবিক ধরা যায়। তবে নিয়মিত চক্র হঠাৎ ছোট হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
  • যদি ২১ দিনের আগেই হয় → এর পেছনে থাকতে পারে
  • থাইরয়েড বা অন্যান্য হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
  • জরায়ুর ফাইব্রয়েড বা পলিপ
  • পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)
  • সংক্রমণ বা প্রদাহ
  • জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি পরিবর্তন
  • অতিরিক্ত মানসিক চাপ
  • আবার কৈশোরের শুরুতে বা মেনোপজের আগে এটাও স্বাভাবিক হতে পারে।

 

ছবিঃ পিক্সেল ডটকম থেকে সংগৃহীত

 

কখন অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

 

 

  • রক্তক্ষরণ অস্বাভাবিকভাবে বেশি হলে
  • ৭ দিনের বেশি সময় ধরে চললে
  • পিরিয়ডের বাইরেও রক্ত গেলে
  • তলপেটে তীব্র ব্যথা থাকলে
  • ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা মাথা ঘোরা অনুভব করলে

 

 

চিকিৎসা কী হতে পারে?

 

 

  • কারণ অনুযায়ী চিকিৎসক ব্যবস্থা নেবেন
  • রক্তশূন্যতা হলে আয়রন সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হতে পারে
  • সময়মতো চিকিৎসা না নিলে জটিলতা বাড়তে পারে

 

 

 

 

বিশেষ বিষয়: পিরিয়ড ছাড়া রক্ত যাওয়া (স্পটিং)

 

 

  • ডিম্বস্ফোটনের সময় (প্রায় ১৪ দিন আগে)
  • গর্ভধারণের শুরুতে
  • জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল বাদ পড়লে
  • এসব কারণেও হালকা রক্ত যাওয়া স্বাভাবিক হতে পারে।

 

সম্ভাব্য চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়

 

১. ডাক্তারি পরীক্ষা: রক্ত পরীক্ষা, হরমোন প্রোফাইল, এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম করে কারণ নির্ণয় করা হয়।

২. হরমোন থেরাপি: ভারসাম্যহীন হরমোন নিয়ন্ত্রণের জন্য চিকিৎসক হরমোনাল ওষুধ দিতে পারেন।

৩. স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট: পর্যাপ্ত বিশ্রাম, ঘুম, ও যোগব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

৪. খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: আয়রন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন—সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, ও ডিম খাওয়া উপকারী।

৫. জীবনধারা নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার মাসিক চক্রকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে সহায়তা করে।

 

 

 

মাসে দুবার পিরিয়ড সবসময় বিপদের ইঙ্গিত নয়

 

সবসময় মাসে দুবার পিরিয়ড হওয়া মানেই যে কোনো বড় রোগ আছে তা নয়।

কখনও কখনও স্ট্রেস, ঘুমের সমস্যা বা ওজন পরিবর্তনের কারণে এটি সাময়িক হতে পারে।

তবে, যদি এটি বারবার ঘটে, তবে অবশ্যই একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 

বিঃদ্রঃ মাসে দুবার পিরিয়ড হওয়া সবসময় রোগের লক্ষণ নয়। তবে যদিএটি নিয়মিত হয় বা অন্য অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


সম্পাদক
মুহাম্মদ রাজু আহমেদ  
প্রকাশিত শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫


আরো পড়ুন

প্রেগন্যান্সি ক্যালকুলেটর