প্রত্যেক নারীর শরীরের জন্য মাসিক একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে অনেক সময় এক মাসে দুবার পিরিয়ড হতে দেখা যায়। এতে অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েন—এটা কি স্বাভাবিক, নাকি কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণ?
সাধারণত মাসিকচক্র গড়ে ২৮ দিন হয়।
তবে ২১ থেকে ৩৫ দিনের ভেতরে হলে সেটিও স্বাভাবিক ধরা হয়।
হঠাৎ ওজন বাড়া বা কমা, মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ব্যায়াম, কিংবা কিছু ওষুধের কারণে মাসিকচক্র ছোট হতে পারে। তাই সবসময় এটা সমস্যা নাও হতে পারে।
১. ডাক্তারি পরীক্ষা: রক্ত পরীক্ষা, হরমোন প্রোফাইল, এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম করে কারণ নির্ণয় করা হয়।
২. হরমোন থেরাপি: ভারসাম্যহীন হরমোন নিয়ন্ত্রণের জন্য চিকিৎসক হরমোনাল ওষুধ দিতে পারেন।
৩. স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট: পর্যাপ্ত বিশ্রাম, ঘুম, ও যোগব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
৪. খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: আয়রন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন—সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, ও ডিম খাওয়া উপকারী।
৫. জীবনধারা নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার মাসিক চক্রকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে সহায়তা করে।
সবসময় মাসে দুবার পিরিয়ড হওয়া মানেই যে কোনো বড় রোগ আছে তা নয়।
কখনও কখনও স্ট্রেস, ঘুমের সমস্যা বা ওজন পরিবর্তনের কারণে এটি সাময়িক হতে পারে।
তবে, যদি এটি বারবার ঘটে, তবে অবশ্যই একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
বিঃদ্রঃ মাসে দুবার পিরিয়ড হওয়া সবসময় রোগের লক্ষণ নয়। তবে যদিএটি নিয়মিত হয় বা অন্য অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।