আপডেট
কবি কায়কোবাদের স্মৃতিবিজড়িত পিংনা রসপাল জামে মসজিদ: ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বিস্মৃতির করুণ অধ্যায় একজন আপোসহীন দেশনেত্রীর বিদায়: বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম ও উত্তরাধিকার স্বাস্থ্যখাত সংস্কার খসড়া ও ডিএমএফদের বাদ দেওয়ার বিতর্ক: জুলাই সনদের চেতনার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? কিভাবে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল অধ্যাদেশ ২০২৫ (খসড়া) বাতিল বা সংশোধনের জন্য ইমেইল করবেন: সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে গাইড বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল অধ্যাদেশ ২০২৫: ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের তীব্র আপত্তি, বৈষম্য ও নীতিগত সংকটের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ ডায়াবেটিসে সুচবিহীন রক্ত পরীক্ষা: এমআইটির বিপ্লবী আলোভিত্তিক প্রযুক্তি বদলে দিচ্ছে গ্লুকোজ মনিটরিংয়ের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ ফুটবলের উত্থানের সময়ে তরুণদের অবিবেচক আচরণ: হামজা–শমিতদের উত্তরসূরীদের ভুল পদক্ষেপে নতুন বিতর্ক ডিএমএফ পরিচয়কে ধারণ করে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান: ডিএমএফ নিয়োগ বাস্তবায়ন পরিষদের পক্ষ থেকে বড় ঘোষণা ডিএমএফ নিয়োগ আন্দোলনের জরুরি নোটিশ: ৯ ডিসেম্বরের কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত — ন্যায্য দাবির লড়াই অব্যাহত ডিএমএফদের নিয়োগ সংকট: কেন এখনই নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন জরুরি — ১৫ বছরের বাস্তবতা, আন্দোলন ও সমাধান বিশ্লেষণ

পুড়ে গেলে কী করবেন: প্রাথমিক ও ঘরোয়া চিকিৎসা, ধাপভিত্তিক নির্দেশনা ও প্রতিরোধের উপায়

আগুনে পোড়া রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার দৃশ্য
পুড়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার সঠিক ধাপ

 

পুড়ে গেলে কী করবেন: প্রাথমিক ও ঘরোয়া চিকিৎসা, ধাপভিত্তিক নির্দেশনা ও প্রতিরোধের উপায়

 

প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর, ২০২৫ | বিভাগ: স্বাস্থ্য, প্রাথমিক চিকিৎসা

পুড়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা — দ্রুত, সঠিক ও নিরাপদ পদ্ধতি।

পোড়া (Burn Injury) হলো ত্বক বা অভ্যন্তরীণ টিস্যুর তাপ, রাসায়নিক, বৈদ্যুতিক, বা রেডিয়েশন দ্বারা সৃষ্ট আঘাত। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে রান্নাঘর, গ্যাস চুলা, গরম তরল, বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা, রাসায়নিক স্পিল বা খেলার সময় অপ্রত্যাশিতভাবে পোড়া ঘটতে পারে। সঠিক সময়ে সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া না হলে সংক্রমণ, দীর্ঘমেয়াদি ক্ষত ও মৃত্তিকা (scarring) হতে পারে।

পোড়া কিসে হয় ও এর গুরুত্ব

 

পোড়া হলে ত্বক বা নিচের টিস্যু ধ্বংস পেতে পারে। ক্ষততাজা তাপপ্রভাব, ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ, শক, এবং শরীরের তরলের ভারসাম্যহীনতা—এসব কারণে দ্রুত ও যথাযথ ব্যবস্থা জরুরি। নির্ভরযোগ্য প্রাথমিক চিকিৎসা দুর্ঘটনার মাত্রা অনেকাংশে কমিয়ে আনতে পারে।

পোড়ার ধরণ (Classification of Burns)

 

পোড়াকে সাধারণত স্তরভিত্তিকভাবে ভাগ করা হয় — প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় (কখনও চতুর্থ) ডিগ্রি:

প্রথম ডিগ্রি

শুধুমাত্র উপরের ত্বক (epidermis) লাল ও ব্যথা হয়। সাধারণত সাপোর্টিভ কেয়ারেই ১–৭ দিনের মধ্যে ভালোয়। উদাহরণ: সূর্য পোড়া।

দ্বিতীয় ডিগ্রি

উপরের ও আংশিক নিম্ন ত্বক (partial-thickness) আক্রান্ত হয়। ফোসকা পড়ে, তীব্র ব্যথা ও সর্দা-রঙের পরিবর্তন দেখা যায়। ইনফেকশনের ঝুঁকি বেশি থাকে।

তৃতীয়/চতুর্থ ডিগ্রি

ত্বকের প্রতিটি স্তর (full-thickness) নষ্ট হতে পারে; কখনও পেশী/অস্থি পর্যন্ত ক্ষত পৌঁছায়। ত্বক সাদা, কালো বা ঝলসে যেতে পারে। ব্যথা কম অনুভূত হতে পারে কারণ স্নায়ু ধ্বংসপ্রাপ্ত। এসব ক্ষেত্রে দ্রুত স্পেশালিস্ট (প্লাস্টিক সার্জন/বার্ন ইউনিট) প্রয়োজন।

পোড়া — লক্ষণ ও মূল্যায়ন

 

  • রেডনেস (লাল করা), ফোলা, ফোসকা, ত্বক ছেঁড়া বা ঝলসে যাওয়া
  • ব্যথার তীব্রতা ও স্পর্শে সংবেদনশীলতা
  • চামড়ার রং: সাদা/কালো/চামড়ার নরম হওয়া
  • শ্বাসকষ্ট (ঢোঁয়া শ্বাসনালায় ঢুকে গেলে), গলায় ঝাল বা কালো ড্রপস
  • বিদ্যুত্ দুর্ঘটনায় ইন্টারনাল ইনজুরি (ক্লিনিকাল পর্যালোচনা জরুরি)

প্রাথমিক করণীয় (Immediate First Aid — ধাপে ধাপে)

 

পোড়া হলে প্রথম ১০–২০ মিনিটে নিচের ধাপগুলো দ্রুত ও ধৈর্যসহ অনুসরণ করুন। প্রতিটি ধাপের উদ্দেশ্য—তাপ অপসারণ, আঘাতের বিস্তার रोक, ব্যথা ও ইনফেকশন ঝুঁকি কমানো।

  1. তাপের উৎস থেকে দ্রুত সরিয়ে নিন: আক্রান্ত ব্যক্তিকে আগুন/তাপ/রাসায়নিক থেকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।
  2. আগুন নেভান: পোড়ানো কাপড় থাকলে (চামড়ার সঙ্গে লেগে না থাকলে) খুলে ফেলুন; না হলে আগুন ঢেকে বা মাটি/কম্বল দিয়ে ঘুমোিয়ে দিন। মাটিতে গড়াগড়ি দেওয়া কার্যকর।
  3. ঠান্ডা পানি প্রয়োগ: ক্ষতস্থানে অবিরাম ঠান্ডা (বরফ নয়) পানি ১৫–২০ মিনিট ধরে দিন। এটি তাপ কমায়, ব্যথা কমায় ও টিস্যুকে রক্ষা করে।
  4. গহনা ও আঁটসাঁট কাপড় খুলুন: ক্ষত ফুলে উঠতে পারে; রিং, ব্রেসলেট, ও ঘড়ি দ্রুত তুলে ফেলুন।
  5. ক্ষত ঢেকে রাখুন: পরিষ্কার স্টেরাইল গজ বা কোনও শাল/কাপড় দিয়ে নরমভাবে ঢেকে রাখুন। আঠাযুক্ত প্লাস্টার/টিস্যু ব্যবহার করবেন না।
  6. অপ্রয়োজনে ওষুধ: ব্যথানাশক হিসেবে প্যারাসেটামল বা ইবুপ্রোফেন (বয়স/প্রস্থ অনুযায়ী) দেওয়া যেতে পারে—চিকিৎসকের নির্দেশনা ভাল।
  7. রাসায়নিক পোড়া হলে: প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন—কমাসেকেন্ড নয়—মিনিট ধরে। রাসায়নিক ডেটা জানালে চিকিৎসকের কাছে সেটা জানান।
  8. বিদ্যুৎ আঘাতে: সরাসরি হাত না দিয়ে বিদ্যুৎ উৎসকে আলাদা করুন (যদি নিরাপদে করা যায়) ও দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান—অভ্যন্তরীণ ইনজুরি হতে পারে।

অবশ্যই না করারি তালিকা:

  • টুথপেস্ট, হলুদ, ঘি, তেল বা অন্য কোনও লোকাল রেমেডি আঘাতস্থলে লাগাবেন না।
  • ফোসকা ফাটানো বা নিজে মলম লাগানো ঠিক নয়—সংক্রমণ বাড়ে।
  • বরফ সরাসরি লাগাবেন না—টিস্যু অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ঘরোয়া ও পরবর্তী যত্ন (Home Care & Ongoing Wound Management)

 

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সঠিকভাবে ক্ষত পরিচর্যা করলে পুনরুদ্ধার ভালো হয় এবং জটিলতা কমে। নিচের নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন:

1. ক্ষত পরিষ্কার ও ব্যান্ডেজ পরিবর্তন

স্বচ্ছ, জীবাণুমুক্ত লবণজল (normal saline) বা পরামর্শকৃত অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে ক্ষত ধুয়ে পরিষ্কার করে প্রতিদিন/চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যান্ডেজ পরিবর্তন করুন। ব্যান্ডেজ পরিবর্তনের সময় স্যানিটারি হাতব্যবহার জরুরি।

2. ওষুধ ও টপিক্যাল থেরাপি

ডাক্তার নির্দেশ অনুযায়ী সিলভার সালফাডায়াজিন (silver sulfadiazine) বা অন্যান্য অ্যান্টিসেপ্টিক ক্রিম ব্যবহার হতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট সাধারণত ইনফেকশন থাকলে দেওয়া হয়—নিজে ব্যবহার করবেন না।

3. ব্যথা ব্যবস্থাপনা

ব্যথা খুব বেশি হলে প্রসেকার (analgesic) দিন এবং নিয়মিত ব্যথা মাপুন। অ্যাসপ্রিন শিশুদের জন্য নিষেধ (Reye’s syndrome সুবিধার্থে) — বাচ্চার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

4. পুষ্টি ও হাইড্রেশন

পুনরুদ্ধারে পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন সি ও জিঙ্ক প্রয়োজন। তরলপান জোর দিন—ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধে তা জরুরি।

5. ইনফেকশনের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ

ক্ষত লালচে বেড়ে যাওয়া, গন্ধ ধরা, গা জ্বালা, পুঁজ বা জ্বর—এসব হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

কখন হাসপাতালে বা স্পেশালিস্টের কাছে যাবে (Red Flags)

 

  • বড় বা গভীর পোড়া (>১০% শরীর কভার, বাচ্চা/বৃদ্ধে এমনকি কমও চিন্তাগ্রস্ত)।
  • মুখ, চোখ, হাত, পা, যৌনাঙ্গ বা জয়েন্টে পোড়া।
  • ফোসকা ভাঙা বা তৃতীয় ডিগ্রি পোড়া লক্ষণ।
  • রাসায়নিক, বৈদ্যুতিক বা ইনহেলেশান (ধোঁয়া) আঘাত।
  • শ্বাসকষ্ট, অলসতা বা চিত্তহীনতা দেখা দিলে।

বিশেষ পরিস্থিতি

 

বাচ্চা ও শিশুদের ক্ষেত্রে

শিশুদের ক্ষেত্রে পোড়া ক্ষত দ্রুত গুরুতর হয়—শরীরের আণুপাতিক অংশ বেশি এবং ত্বক পাতলা হওয়ায়। শিশু পোড়া হলে অবিলম্বে পেডিয়াট্রিক-স্পেশালিস্ট বা বার্ন ইউনিটের পরামর্শ নিন।

বয়স্ক বা ক্রনিক রোগি

ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা ইমিউনোসাপ্রেশন থাকলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান—সাধারণত পুনরুদ্ধার ধীর এবং ইনফেকশনের ঝুঁকি বেশি।

রাসায়নিক পোড়া

রাসায়নিকের ধরণ (অ্যাসিড/ক্ষার) জানলে সেটি জানান; ক্ষততে প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। নির্দিষ্ট কেমিক্যালের ক্ষেত্রে বিশেষ উত্সাহ প্রয়োজন।

বিদ্যুৎ আঘাত

বিদ্যুৎ আঘাতে অভ্যন্তরীণ ইনজুরি ও হার্ট অরোহণ ঘটতে পারে। উন্নত জবাবের জন্য জরুরি কেয়ার প্রয়োজন।

পোড়ার জটিলতা (Possible Complications)

  • স্ট্যানিং/স্ক্যারিং (দীর্ঘমেয়াদী দাগ)
  • ইনফেকশন ও সেপসিস
  • চামড়ার পুনর্বাসন ও গ্যাফটিং প্রয়োজন হতে পারে
  • দৈনন্দিন কাজের অক্ষমতা (অর্থাৎ হাত/পাসে চরম ক্ষতি হলে)
  • মানসিক ট্রমা, পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস

পোড়া প্রতিরোধের কার্যকর টিপস

প্রতিরোধই সর্বোত্তম চিকিৎসা। নিচের পয়েন্টগুলো অনুসরণ করুন:

  • রান্নাঘরে শিশুদের পৌঁছনোর বাইরে রাখুন।
  • গ্যাস ও বৈদ্যুতিক লাইন নিয়মিত চেক করুন।
  • অগ্নি-নিরাপত্তা সরঞ্জাম (ফায়ার এক্সটিঙ্গুইশার, ডিটেক্টর) বজায় রাখুন।
  • কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা পোশাক ব্যবহার নিশ্চিত করুন।
  • গরম তরল পরিবহনে সাবধানতা—হ্যান্ডেল ও ঢাকনা ব্যবহার করুন।

পোড়া থেকে পুনর্বাসন ও মানসিক সাপোর্ট

বড় পোড়ার পরে ফিজিওথেরাপি (movement, scar management) ও সাইকো-সামাজিক সহায়তা দরকার হতে পারে। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় আক্রান্ত অংশের মোবিলিটি ফিরিয়ে আনায় নিয়মিত থেরাপি প্রয়োজন।

খাদ্য ও পুষ্টি নির্দেশিকা (Burn Recovery Nutrition)

পোড়া হলে শরীর অতিরিক্ত ক্যালরি ও প্রোটিন ব্যবহার করে টিস্যু পুনর্নির্মাণ করে—তাই উচ্চ-প্রোটিন ডায়েট (ডিম, মাংস, দাল, দুধ), ভিটামিন সি (ফল-মূল), জিঙ্ক (বাদাম, শস্য) ও পর্যাপ্ত পানি অপরিহার্য। ডাক্তারের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতে পারে।

প্রশ্নোত্তর (FAQ)

 

১) ছোট আর লাল পোড়া হলে কি করব?

ঠান্ডা পানি দিয়ে ১৫–২০ মিনিট সপ্ল্যাশ করে, পরিষ্কার ব্যান্ডেজ দিন এবং ব্যথানাশক প্রয়োজনে নিন। লক্ষণ बिगড়েলে ডাক্তারের কাছে যান।

২) ফোসকা হলে তা ফাটাবেন কি?

না। ফোসকা আংশিক টিস্যুকে রক্ষা করে—এটি নিজেরে ফাটালে ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ে।

৩) কি সময়েই হাসপাতালে নেয়া জরুরি?

মুখ/চোখ/হাত/পা/জয়েন্ট/যৌন অঙ্গ পোড়া হলে, ফোসকা বড় ও গভীর হলে, শ্বাসকষ্ট দেখা গেলে বা শিশু-বৃদ্ধের ক্ষেত্রে দ্রুত হাসপাতালে নিন।

সারসংক্ষেপ

 

পোড়া একটি জরুরি পরিস্থিতি—সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা (তাপ অপসারণ, ঠান্ডা পানি, পরিষ্কার ও ব্যান্ডেজ), দ্রুত মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে হাসপাতাল চলাচল—এসব মিলে ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং পুনর্বাসনই দীর্ঘমেয়াদি ভাল অবস্থার চাবিকাঠি।


সূত্র (References)

 

  1. World Health Organization (WHO) — Burns
  2. Mayo Clinic — First aid for burns
  3. Johns Hopkins Medicine — Burns
  4. American Society of Plastic Surgeons — Burn Care

পোড়া
বার্ন ইনজুরি
প্রাথমিক চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা
স্বাস্থ্য টিপস

সম্পাদক
মুহাম্মদ রাজু আহমেদ  
প্রকাশিত রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫


আরো পড়ুন

প্রেগন্যান্সি ক্যালকুলেটর