ওজন বাড়ানোর সম্পূর্ণ গাইড – স্বাস্থ্যকর খাদ্য ও ব্যায়াম
ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকা শুধু শারীরিক চেহারার কারণে নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকির কারণ হতে পারে। কম ওজনের মানুষদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, শারীরিক শক্তি কম থাকে, ক্লান্তি বেশি লাগে এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন বাড়াতে সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ক্যালরি গ্রহণ এবং নিয়মিত ব্যায়াম অপরিহার্য।
১। ওজন বৃদ্ধির জন্য খাদ্যাভ্যাস
সকালের নাস্তা:
দুপুরের খাবার:
রাতের খাবার:
দুপুরের খাবারের মতোই রাতের খাবারও স্বাস্থ্যকর হওয়া উচিত। দুপুরে বাদ পড়া কোনো খাবার রাতে যোগ করা যেতে পারে।
হালকা নাস্তা / স্ন্যাকস:
বাদাম: চিনাবাদাম, কাঠবাদাম, কাজু, পেস্তা — স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন, মিনারেল এবং ফাইবারে সমৃদ্ধ। প্রিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।
কিসমিস: ছোট পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেল যোগ করে। দাঁতের সমস্যা এড়াতে বাদাম বা টক দইয়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়া উত্তম।
বীজ: সূর্যমুখী, তিসি, তিল, মিষ্টিকুমড়ার বিচি। ভাত বা তরকারিতে হালকা করে ছিটিয়ে খাওয়া যায়।
ক্যালরি লক্ষ্য:
দৈনিক অতিরিক্ত ৩০০–৫০০ ক্যালরি খাওয়া উচিত। দ্রুত ওজন বৃদ্ধি স্বাস্থ্যকর নয়। ধীরে ধীরে ওজন বাড়ানো উত্তম।
২। ওজন বৃদ্ধির ব্যায়াম
স্ট্রেংথ ট্রেনিং: মাংসপেশি বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত কার্যকর। ঘরে যন্ত্র ছাড়াই করা যায়।
সময়: সপ্তাহে কমপক্ষে ২.৫ ঘণ্টা। ব্যায়াম অভ্যাস না থাকলে ধীরে ধীরে শুরু করা উচিত।
ব্যায়াম করলে শরীর থেকে ক্যালরি খরচ হয়, কিন্তু নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরে চর্বি জমার পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর মাংসপেশি বৃদ্ধি হয়।
৩। ওজন বৃদ্ধির পূর্ব সতর্কতা
৪। কমপ্লিমেন্টারি তথ্য
৫। ওজন বৃদ্ধির জন্য পুষ্টির পরিমাণ
খাবার পরিমাণ ক্যালরি (প্রায়) পুষ্টি উপাদান
| খাবার | পরিমাণ | ক্যালরি (প্রায়) | পুষ্টি উপাদান |
|---|---|---|---|
| দুধ | ১ গ্লাস | ১৫০ | প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি-১২ |
| কলা | ১টি | ৮৯ | ফাইবার, ভিটামিন বি-৬ |
| ডিম | ১টি | ৭৮ | প্রোটিন, ভিটামিন-এ, জিংক |
| খেজুর | ৫টি | ১৩৫ | ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম |
| বাদাম | ২০ গ্রাম | ১২০ | স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন, মিনারেল |
| কিসমিস | ২০ গ্রাম | ৬০ | ভিটামিন, মিনারেল |
উপরের পরিমাণগুলো দৈনিক খাদ্যের সাথে মিলিয়ে গ্রহণ করলে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন বৃদ্ধি সম্ভব।