প্রতি বছর ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব হৃদপিণ্ড দিবস (World Heart Day)। এর মূল উদ্দেশ্য হলো হৃদরোগ সম্পর্কে বৈশ্বিক সচেতনতা তৈরি করা এবং মানুষকে সুস্থ হৃদয় গড়তে উদ্বুদ্ধ করা। বর্তমানে হৃদরোগ পৃথিবীর অন্যতম প্রধান মৃত্যুর কারণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় ১৮ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ হৃদরোগে মারা যায়, যা মোট মৃত্যুর প্রায় এক-তৃতীয়াংশের সমান।
১৯৯৯ সালে বিশ্ব হার্ট ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট অ্যান্টোনি বায়েস দে লুনা প্রথমবার বিশ্ব হৃদপিণ্ড দিবস পালনের প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় ২০০০ সালে প্রথমবার এই দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়। প্রথমদিকে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রবিবার পালিত হলেও ২০১১ সাল থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর দিনটিকে স্থায়ীভাবে বিশ্ব হৃদপিণ্ড দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে ৯০টিরও বেশি দেশে এ উপলক্ষে সচেতনতামূলক কর্মসূচি, স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন এবং গবেষণামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
প্রতি বছর বিশ্ব হার্ট ফেডারেশন দিবসটির জন্য একটি বিশেষ থিম ঘোষণা করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে থিম ছিল – “Use Heart for Action” এবং “Use Heart, Know Heart”।
২০২৫ সালের জন্য নির্ধারিত থিম হলো – “Don’t Miss a Beat”।
এটির মূল বার্তা হলো:
হৃদরোগের প্রাথমিক লক্ষণকে অবহেলা না করা
সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া
প্রতিরোধমূলক জীবনধারা অনুসরণ করা
বিশ্ব হৃদপিণ্ড দিবস শুধু একটি প্রতীকী দিবস নয়, বরং এটি প্রতিটি মানুষের জন্য একটি বার্তা যে—হৃদপিণ্ডের যত্ন নেওয়া এখনই জরুরি। হৃদরোগ প্রতিরোধে করণীয় বিষয়গুলো হলো:
হৃদরোগের প্রকোপ কমাতে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা অপরিহার্য। স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন, জনসচেতনতা বাড়ানোর বিজ্ঞাপন, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করা যেতে পারে হৃদরোগ প্রতিরোধে বড় ভূমিকা রাখতে।
World Heart Federation: https://world-heart-federation.org
World Health Organization (WHO)